1. admin@dailynaogaonnews.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অতিরিক্ত ভালোবাসা ঠিক নয় – নজরুল ইসলাম তোফা মৌসুমী-আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় দ্রুত বর্ধনশীল (G-3) রুই মাছ নার্সিং প্রদর্শণী প্লটের ফলাফল প্রদর্শণের জন্য মাঠ দিবস আয়োজন মৌসুমী আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় দার্জিলিং রেস্টুরেন্টে মূল্য সংযোজিত মৎস্য পণ্যের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টিকরণে আর্থিক অনুদান প্রদান নওগাঁয় পিকেএসএফ-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক কর্তৃক দাবী মৌলিক উন্নয়ন সংস্থায় আরএমটিপি’র উপ-প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন নওগাঁয় পিকেএসএফ কর্তৃক মৌসুমী আরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন নওগাঁয় ট্রেইনী রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ ২৪ বিষয়ে প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত নওগাঁ-২ আসনের বসতাবর কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক ২জন তরুণ নওগাঁর ধামইরহাট-পত্নীতলা আসনে আজ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্থগিত হওয়া নওগাঁ ২ আসনের ভোট কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনি সরঞ্জাম নওগাঁ-২ আসনে , রাত পোহালেই জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ

নওগাঁর পত্নীতলার মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৬৬ বার পঠিত

মাসুদ রানা,পত্নীতলা প্রতিনিধিঃ মাঠে মাঠে মৌ মৌ গন্ধ, ভ্রমর ছুটছে মধু আহরণে, সরিষার ক্ষেতগুলো যেন প্রকৃতির হলুদ কন্যায় সেজেছে ,দিগন্ত জুড়ে হলুদের বাহার, বাতাসে দোল খাচ্ছে সরিষার ফুলগুলো এ দৃশ্য সকলেকেই আকৃষ্ট করছে। উত্তরের জনপদ নওগাঁর পত্নীতলায় বেড়েছে সরিষার আবাদ। বাজারে তেলের দাম বেশী হওয়ায় এবার সরিষা চাষে ঝুকেছে কৃষক, কৃষিতে খরচ বেড়েছে তাই অল্প জমিতে বেশী ফসল ফলন করার আশায় রোপা আমণ কাটাঁর পরেই জমি ফেলে না রেখে সরিষা চাষে প্রস্তুত করে কৃষকরা।স্বল্প খরচ আর কম সময়ে সরিষা চাষে বেশী লাভ।প্রতিববিঘা জমিতে সরিষার গড়ে ৫ থেকে ৬ মণ হয় । যা ৫/৬ জনেরএকটি পরিবারের সারা বছরের তেলের চাহিদা পুরন করতে পারে। এর মেডিসিনাল ভেল্যুও আছে।সরিষার শিকড়ে নডিউল থাকে যা জমিতে নাইট্রোজেন যোগ করে। জৈব সার হিসেবে ও সরিষা গাছ অনেক গুরুত্ববহন করে।সরিষার খৈল পুকুরে এবং জমিতে ও গবাদিপশুর খাবার হিসেবে খুব গুরুত্বপুর্ন। উন্নত জাতের সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বেড়েছে সরিষা চাষ। প্রচলিত দেশি সরিষার চেয়ে ফলন বেশি হওয়ায় বারি-১৪ ও বারি-১৫, বারি ১৭, বারি ১৮, বিনা -৪ জাতের সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছে। অনেকেই আমন ধান সংগ্রহের পর জমি ফেলে না রেখে সরিষা চাষ শুরু করেছেন। এরপর আবার বোরো ধান রোপণ করবেন তারা। ফলে একই জমিতে বছরে তিনবার ফসল উৎপাদন হচ্ছে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠে গিয়ে দেখা যায় সরিষা গাছে ফুল এসেছে অনেক গাছে ফলও এসেছে সরিষা চাষিরা জানান, এবার প্রতি বিঘা জমি থেকে ৬-৭ মণ সরিষা উৎপাদনের আশা করছেন তারা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব মতে চলতি বছরে সরিষার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬হাজার১৫০ হেক্টর।সেখানে চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৩৫০ হেক্টর ।গত বছর লক্ষ মাত্রা ছিল ৫ হাজার হেক্টর। বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষিবিভাগ। উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের কৃষক সুকুমল, সনজিৎ, বিপুল, হামিদ, হাসান, হাবিবুর সহ অনেকে বলেন গতবছরের চেয়ে এবার দ্বিগুন জমিতে সরিষার আবাদ করেছে, কৃষক হাবিবুর বলেন সরকারি প্রণোদনার বীজ পেয়ে বারি ১৪ জাতের সরিষা চাষ করেছেন আশা করছেন ফলন ভাল হবে। অনেক কৃষক জানান প্রতিবিঘা জমিতে সরিষা চাষে খরচ হয় সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার থেকেন৪ হাজার টাকা। প্রতি মণ সরিষা বিক্রি করা যায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। প্রতি বিঘাতে গড়ে ৬/৭ মণ সরিষা উৎপাদন হলে বিঘা প্রতি ১৫-১৬ হাজার টাকা লাভ করা যায়। কম সময়ে কমে খরচে বেশী লাভ হয় সরিষা তোলার পরে বোরর আবাদ হয়। চলতি মওসুমে এ উপজেলায় টরি ৭, বিনা ৪ বারি ৯ বারি-১৪, ১৫,১৭,১৮ ও সম্পদ জাতের সরিষা চাষ হয়ছে। অনেক কৃষক জানিয়েছেন সার শঙ্কট রয়েছে বিশেষ করে পটাশ সার প্রয়োজন অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না সাড়ে সাতশত টাকার পটাশ ১৫/১৬শত টাকা বস্তা কিনতে হচ্ছে খোলা বাজারে।উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, স্বল্প খরচে, কম সময়ে লাভজনক ফসল এটি। সরকারের কৃষিতে সুদৃষ্টি রয়েছে উপজেলায় সরকারী ভাবে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে ৪ হাজার কৃষককে । ভাল বীজ এর পর্যাপ্ততা এবং প্রণোদনা প্রদান ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সরিষা আবাদ বেড়েছে। প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণ ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়।সরিষা আবাদের ফলে তেলের চাহিদা পুরনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
কৃষি অফিস সার্বক্ষণিক কৃষকদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Daily Naogaonnews
Theme Customized By Shakil IT Park